ফসল এগ্রো লিমিটেড — কৃষকের পাশে, ফসলের সুরক্ষায়
পরিচিতিঃ
·
ডিম থেকে শূককীট বের হওয়ার পরপর এদের রং ঘিয়ে থেকে ক্রমশ সবুজ হয়।
·
পূর্ণতাপ্রাপ্ত কীড়া প্রায় ১.৫ ইঞ্চি ও গায়ের রং সবুজ।
·
পূর্ণবয়স্ক পোকা হালকা বাদামি রঙের মথ। সামনের পাখায় ফোঁটা ও আঁকাবাঁকা কাল দাগ আছে।
·
পুরুষ মথের শুঙ্গ পেকটিনেট ও স্ত্রী মথের শুঙ্গ সুত্রাকার ধরনের।
·
ইহা মুখ্য পোকা হিসাবে চিহ্নিত।
ক্ষতির ধরণঃ
·
ডিম ফুটে কীড়া বের হওয়ার পর পরই এরা পাট গাছের কচি ডগা ও পাতা আক্রমণ করে।
·
প্রথম অবস্থায় পাতা ছিদ্র করে খায় এবং বড় হতে থাকলে পুরো পাতা খেয়ে ফেলে।
·
কোন কোন সময় কচি ডগা খেয়ে ফেলে এবং বারংবার কচি ডগাকে আক্রমণ করার ফলে গাছের আগা নষ্ট হয়ে যায় এবং শাখা প্রশাখা বের হয়। এতে পাটের ফলন ও আঁশের গুনগত মান কমে যায়।
জৈবিক ও যান্ত্রিক পদ্ধতিতে দমনঃ
·
আক্রান্ত পাতা কীড়াসহ সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
·
ক্ষেতে ডাল-পালা পুঁতে পোকাভুগ পাখি বসার ব্যবস্থা করা।
·
কেরোসিন মিশ্রিত দড়ি ভিজিয়ে সে দড়ি দিয়ে ক্ষেতে টানা দিলে পোকা আক্রমণ কিছুটা কমানো যায়।
রাসায়নিক পদ্ধতিতে দমনঃ
·
ল্যামকা ২.৫ ইসি ১০ মিলিলিটার প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতক জমির জন্য প্রয়োগ করুন। একর প্রতি মাত্রা ২০০ মিলিমিটার।
·
ফসলফস ৪৮ ইসি ১০ মিলিলিটার প্রতি ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ শতক জমির জন্য প্রয়োগ করুন। একর প্রতি মাত্রা ২০০ মিলিমিটার।
·
১০ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করুন।